প্রকাশিত: আগস্ট ৩১, ২০২৫, ১২:১৬ পিএম
যুগান্তর
শিরোনাম: “ঝুলে যাচ্ছে জুলাই জাতীয় সনদ!”
সারসংক্ষেপ: বহু প্রত্যাশিত জুলাই জাতীয় সনদ নিয়ে জটিলতা গভীর হচ্ছে। সনদের আইনি ভিত্তি ও ভিন্নমতযুক্ত সুপারিশগুলো নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর দূরত্ব কমেনি। বিএনপি বলছে নির্বাচিত সরকার ছাড়া সংবিধান সংশোধন সম্ভব নয়, অপরদিকে জামায়াত ও এনসিপি চাইছে নির্বাচনের আগে সনদ বাস্তবায়ন হোক। সময়সীমা ঘনিয়ে আসায় সংশয় বাড়ছে।
প্রথম আলো
শিরোনাম: “রাজনীতিতে উত্তাপ, আজ যমুনায় জরুরি বৈঠক”
সারসংক্ষেপ: রাজনৈতিক অঙ্গন উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে নুরুল হক নুরের ওপর হামলাকে কেন্দ্র করে। প্রধান উপদেষ্টা আজ বিএনপি, জামায়াত ও এনসিপির সঙ্গে আলাদা বৈঠক করবেন। নির্বাচন ঘিরে আস্থা ফিরিয়ে আনার জন্য এ বৈঠক গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে পর্যবেক্ষকরা।
কালের কণ্ঠ
শিরোনাম: “রাজনীতিতে উত্তাপ, শঙ্কা”
সারসংক্ষেপ: জাতীয় পার্টি ও গণ অধিকার পরিষদের সংঘর্ষে সহিংসতার পর নুরের ওপর নৃশংস হামলায় রাজনীতিতে অস্থিরতা বেড়েছে। সরকার বলছে, নির্বাচন বিলম্বিত হবে না; তবে জুলাই সনদকে উপেক্ষা করে রোডম্যাপ ঘোষণা ভবিষ্যতে সংকট সৃষ্টি করতে পারে।
ইত্তেফাক
শিরোনাম: “নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে”
সারসংক্ষেপ: অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ঘোষণা দিয়েছে, ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে নির্বাচন হবেই। কোনো ষড়যন্ত্র বা অশুভ শক্তিকে গণতন্ত্রের পথে অগ্রযাত্রা বাধাগ্রস্ত করতে দেওয়া হবে না। নুরের ওপর হামলার নিন্দা জানিয়ে নিরপেক্ষ তদন্তেরও আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।
নয়া দিগন্ত
শিরোনাম: “রাজনীতির অন্তরালে নতুন অঙ্ক”
সারসংক্ষেপ: নুরের ওপর হামলার পর রাজনীতিতে নতুন হিসাব-নিকাশ শুরু হয়েছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, জাতীয় পার্টিকে ঘিরে নতুন সমীকরণ তৈরি হতে পারে, যা ভবিষ্যৎ নির্বাচনে বিরোধী দলের ভূমিকা পাল্টে দিতে পারে।
আজকের পত্রিকা
শিরোনাম: “জাপার হঠাৎ সক্রিয়তায় উত্তাপ”
সারসংক্ষেপ: নির্বাচনের আগে জাতীয় পার্টির হঠাৎ নড়াচড়াকে সন্দেহের চোখে দেখছে বিএনপি, জামায়াত ও এনসিপি। তাদের আশঙ্কা, আওয়ামী লীগের পুনর্বাসনের জন্য জাপাকে সামনে আনা হচ্ছে। অতীতের মতো এবারও জাপা হতে পারে ক্ষমতার খেলার অংশ।
দেশ রূপান্তর
শিরোনাম: “নুরে উত্তাল রাজনীতি”
সারসংক্ষেপ: গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরের ওপর নৃশংস হামলায় রাজনৈতিক অঙ্গন তীব্র প্রতিক্রিয়ায় উত্তাল। নুর এখন আইসিইউতে চিকিৎসাধীন। বিএনপি, জামায়াতসহ বিভিন্ন দল বিবৃতি দিয়েছে, বিক্ষোভ কর্মসূচি শুরু হয়েছে।
বাংলাদেশ প্রতিদিন
শিরোনাম: “ফেব্রুয়ারিতে ভোটে অনড় সরকার”
সারসংক্ষেপ: অন্তর্বর্তী সরকার দৃঢ়ভাবে ঘোষণা দিয়েছে, আগামী ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধেই জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। বিএনপিসহ অধিকাংশ রাজনৈতিক দল সরকারের অবস্থানকে স্বাগত জানিয়েছে। সরকার বলছে, গণতান্ত্রিক উত্তরণ নিশ্চিত করতে ঐক্য অপরিহার্য।
মাতৃভূমির খবরের দৃষ্টিতে
আজকের পত্রিকাগুলোর শিরোনাম স্পষ্ট করে দিচ্ছে—রাজনীতি এখন সংকট, শঙ্কা ও সন্দেহের ত্রিমাত্রিক টানাপোড়েনে আবদ্ধ। জুলাই সনদ ঝুলে গেলে বা ভিন্নমতের জট না মিটলে নির্বাচনকে ঘিরে আস্থাহীনতা আরও বাড়বে। কিন্তু এ বাস্তবতায় আমাদের অবস্থান একটাই—গণতন্ত্র রক্ষার লড়াই কোনো দলীয় স্বার্থে নয়, জনতার আস্থায় দাঁড়াতে হবে।
ক্ষমতা নয়, জনগণের আস্থা—এটাই সনদ ও নির্বাচনের প্রকৃত ভিত্তি হওয়া উচিত।