কমলনগর (লক্ষীপুর) সংবাদদাতা
প্রকাশিত: আগস্ট ১৪, ২০২৫, ১১:৫৬ পিএম
লক্ষ্মীপুরের কমলনগরের চার জেলে বঙ্গোপসাগরে ট্রলার ডুবে ১৯ দিন ধরে নিখোঁজ। ২৫ জুলাই কক্সবাজারের মহেশখালী উপকূলে ঝড়ের কবলে পড়ে ডুবে যায় তাদের ট্রলার। সেই থেকে পরিবারের প্রতিটি দিন কাটছে আশঙ্কা, অনিশ্চয়তা আর অশ্রুসিক্ত প্রার্থনায়।
নিখোঁজদের একজন কামাল হোসেন (৪০), কমলনগরের চরফলকনের বাসিন্দা। তার ছেলে তানভীর হোসেন বললেন, আব্বা বেঁচে আছেন নাকি মারা গেছেন এখনো বুঝতে পারছি না। আমরা প্রতিদিন আব্বা ফেরার অপেক্ষায় থাকি।
কামালের সঙ্গে একই পরিণতি বরণ করেছেন মধ্য চরফলকনের দিদার হোসেন (৩৮), মো. সেলিম (৫০) ও মো. সোহেল।
দিদারের শ্বশুর আবুল বাসারের চোখে শুধু ভয় আর শূন্যতা মেয়ে আর নাতিদের কান্না থামছে না। ওদের ভবিষ্যৎ কী হবে জানেন না।
ট্রলারটির মালিক রুবেল মাঝি জানান, ১০ জুলাই ১৭ জেলেকে নিয়ে গভীর সমুদ্রে গিয়েছিলেন। ২৫ জুলাই সকালে মহেশখালীর পশ্চিমে গ্যাস পাম্পের অদূরে হঠাৎ ঘূর্ণিঝড়ে তীব্র ঢেউ এর কবলে পড়ে আমরা ১৩ জন কোনোমতে সাঁতরে আরেক ট্রলারে উঠি। কিন্তু কামাল, দিদার, সেলিম ও সোহেল তাদের আর দেখা যায়নি।
এই দুর্ঘটনায় ৮০ লাখ টাকার ট্রলারটিও হারিয়ে গেছে। এলাকা জুড়ে এখন শুধু নিখোঁজ পরিবারগুলোর আর্তনাদ যাদের একমাত্র উপার্জনকারী মানুষগুলো হয়তো গভীর সাগরের অদৃশ্য আঁধারে মিলিয়ে গেছেন।
মাতৃভূমির খবর