প্রকাশিত: আগস্ট ৯, ২০২৫, ০৭:৫৩ পিএম
যুক্তরাষ্ট্রে দীর্ঘ ছুটি কাটিয়ে দেশে ফিরেছেন অভিনেতা জিয়াউল ফারুক অপূর্ব। শুটিং ইউনিটে যোগ দেওয়ার পরিবর্তে তাকে ব্যস্ত থাকতে হচ্ছে আইনি প্রক্রিয়ায়। কারণ, বাংলাদেশ সাইবার ক্রাইম ইউনিটে তিনি একটি গুরুতর অভিযোগ করেছেন।
তার অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ মাঠে নেমে এরই মধ্যে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে এবং অভিযান অব্যাহত রেখেছে।
সাত মাস পর দেশে ফিরে প্রথমেই ছেলের সঙ্গে দেখা করতে যান অপূর্ব। বাসায় গিয়ে সরাসরি একমাত্র সন্তান জায়ান ফারুক আয়াশের ঘরে প্রবেশ করেন তিনি। সে সময় আয়াশ গভীর ঘুমে ছিল। বাবার স্পর্শে ঘুম ভাঙতেই আবেগে কান্নায় ভেঙে পড়ে ছেলেটি এবং জড়িয়ে ধরে বাবাকে। এই স্নেহমাখা মুহূর্তটি সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করেছিলেন অপূর্ব।
তবে পরবর্তীতে এই ভিডিওকে ঘিরে একাধিক ভুয়া শিরোনাম ও বিভ্রান্তিকর কনটেন্ট তৈরি করে বিভিন্ন ফেসবুক পেজ ও ইউটিউব চ্যানেলে ছড়িয়ে দেওয়া হয়। এসব নোংরা প্রচারণায় ক্ষুব্ধ হয়ে অভিনেতা আইনের শরণাপন্ন হন।
শুক্রবার (৮ আগস্ট) নিজের ফেসবুক পেজে দীর্ঘ স্ট্যাটাসে অপূর্ব লেখেন, কিছু মানুষের সত্য-মিথ্যার বোধ নেই, ন্যূনতম সম্মানবোধও নেই। গসিপ ও মিথ্যার কারখানা সমাজকে বিষাক্ত করছে। সন্তানের প্রতি বাবা-মায়ের ভালোবাসা নিয়েও যারা বাজে মন্তব্য করে, তা শুধু লজ্জাজনক নয়, চরম অমানবিকও।
তিনি আরও বলেন, যাদের মনে নেতিবাচকতার বিষ বাসা বেঁধেছে, তাদের কাছে বাবা-মায়ের ভালোবাসা প্রমাণের প্রয়োজন নেই। অন্যের সন্তান নিয়ে মনগড়া মন্তব্য করার আগে ভাবা উচিত। সন্তানের জীবন কখনোই কারও কনটেন্ট তৈরির উপকরণ হতে পারে না।
অপূর্বর অভিযোগ, কিছু ভুঁইফোড় ইউটিউব চ্যানেল ও ফেসবুক পেজ মিথ্যা গল্প বানিয়ে ভিউ বাড়াচ্ছে এবং সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করছে। দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য তিনি বাংলাদেশ সাইবার ক্রাইম ইউনিটকে ধন্যবাদ জানান।
সবশেষে তিনি আহ্বান জানান, চলুন সবাই মিলে সুস্থ ও ইতিবাচক সমাজ গড়ে তুলি, বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাই। যারা আমাদের ভালোবাসা ও সমর্থন দিয়ে পাশে আছেন, তাদের প্রতি অশেষ কৃতজ্ঞতা।